Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

ইউনিজয়
ফনেটিক
English
টরন্টো, শুক্রবার, ৭ মে, ২০২১ , ২৪ বৈশাখ ১৪২৮

গড় রেটিং: 3.0/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

আপডেট : ১০-০৭-২০২০

সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলায় চার্জ শুনানির তারিখ পিছিয়ে ৯ নভেম্বর ধার্য

সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলায় চার্জ শুনানির তারিখ পিছিয়ে ৯ নভেম্বর ধার্য

ঢাকা, ০৭ অক্টোবর- তিন দশক আগে ঢাকার ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সামনে সগিরা মোর্শেদ সালাম হত্যা মামলায় চার্জ শুনানির তারিখ পিছিয়ে আগামী ৯ নভেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে মামলাটি চার্জ শুনানির জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন আসামি মারুফ রেজা ঘটনার সময় অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছিলেন বলে আসামিরা তার বিচার শিশু আইন অনুযায়ী করার আবেদন করেন। এছাড়া মন্টু ঘোষ নামে একজন অব্যাহতির (ডিসচার্জ) আবেদন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে এই আবেদনের বিরোধিতা করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক আবেদন দুটি নামঞ্জুর করেন।

আসামিপক্ষের এক আইনজীবী অসুস্থ থাকায় সময় আবেদন করা হয়। আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ৯ নভেম্বর চার্জ শুনানির তারিখ ধার্য করেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া সাংবাদিকদের এতথ্য জানান।

আরও পড়ুন: ৩২ বছর ধরে ঝুলে থাকা সীমা হত্যার বিচার ৩ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ

আসামিরা হলেন- সগিরা মোর্শেদের ভাসুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী (৭০), তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহিন (৬৪), শাহিনের ভাই আনাছ মাহমুদ রেজওয়ান (৫৯) ও মারুফ রেজা (৫৯)।  এদিন আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই বিকেলে সিদ্ধেশ্বরীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সামনে সগিরা মোর্শেদকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় রমনা থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার স্বামী সালাম চৌধুরী।

প্রত্যক্ষদর্শী রিকশাচালক ঘটনায় দু’জনের জড়িত থাকার কথা বললেও মিন্টু ওরফে মন্টু নামের একজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়। ১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি মন্টুর বিরুদ্ধে চার্জগঠন করা হয়।

এরপর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯১ সালের ২৩ মে বিচারিক আদালত অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন। এ আদেশের বিরুদ্ধে মারুফ রেজা হাইকোর্টে আবেদন করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯১ সালের ২ জুলাই হাইকোর্ট রুল দিয়ে মামলাটি অধিকতর তদন্তের আদেশ স্থগিত করেন।

পরের বছরের ২৭ আগস্ট অন্য এক আদেশে হাইকোর্ট ওই রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ান। এরপর ওই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্য উদ্যোগ নেয় রাষ্ট্রপক্ষ। শুনানি নিয়ে গত বছরের ২৬ জুন হাইকোর্টের একই বেঞ্চ মামলার অধিকতর তদন্ত আদেশে এর আগে দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেন। একইসঙ্গে ৬০ দিনের মধ্যে ওই মামলার অধিকতর তদন্ত শেষ করতে পিবিআইকে নির্দেশ দেন।

২০১৯ সালের ১৭ আগস্ট এ মামলাটি তদন্ত শুরু করে পিবিআই। ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি চারজনকে অভিযুক্ত করে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই’র পুলিশ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম। গত ৯ মার্চ চার আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন আদালত।

সূত্র : রাইজিংবিডি
এন এইচ, ০৭ অক্টোবর

আইন-আদালত

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে